"যে যা করতে চায়, তা আনন্দের সাথে করলে সহজেই জীবনে সফলতা  সম্ভব"
    - মোঃ শাওন চৌধুরী 
 
২০১১ সালে মাএ ১১ বছর বয়সে মোবাইল  অ্যাপ ডেভলপমেন্ট এর ফেলোশীপ অর্জন করে শাওন চৌধুরী। আর তখন  থেকেই  তার মধ্যে অ্যাপ ডেভলপমেন্ট নিয়ে যুবদের উন্নয়ন করার  ভাবনা  শুরু হয়। ২০১৭ সালে এইচএসসি পাশ করার পর শাওন  চিন্তা করলো, বাংলাদেশের  তরুণেরা  আইটি সেক্টরে খুবই পিছিয়ে। অ্যাপ ডেভলপমেন্ট,  পোগ্রামিং ওয়েবসাইট ডেভলপমেন্ট এই বিষয়গুলো সম্পর্কে তেমন  দক্ষ নয়। কেননা বাংলাদেশে তেমন ভালো কোনো কন্টেন্ট নেই।তাই শাওন ২০১৭ সালেই তার বন্ধুদেরকে নিয়ে "শাওন চৌধুরী" নামক  একটি ভেঞ্চার চালু করে যেখানে বাংলা ভাষায় মজায় মজায় পোগ্রামিং শেখানোর ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে আপলোড দেয়া শুরু করে। যার মাধ্যমে হাজার হাজার  তরুণরা খুব সহজেই পোগ্রামিং বুঝতে পারে এবং তাদের মধ্যে দলগত কাজ, যোগাযোগ দক্ষতা, সমস্যা সমাধান দক্ষতা,  যৌক্তিক ও কঠিন চিন্তার দক্ষতা তৈরি হয়। যা যুবদের চিন্তন শক্তিকে মজবুত করে তোলে  পাশাপাশি খুব সহজেই প্রোগ্রামিংয়ে দক্ষ হয়ে উঠতে পারে। 
২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে শাওন ১০ মিনিট স্কুলের সি.ই.ও এবং ফাউন্ডার আয়মান সাদিক এর কাছ থেকে একসাথে কাজ করার অফার লেটার পায়। সেখান থেকে শাওন ১০মিনিট  স্কুলের কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সাদমান সাকিব এবং টেকনিক্যাল অফিসার রাইয়াদ এর কাছ থেকে আরো বেশি ভালো কন্টেন্ট তৈরির দক্ষতা অর্জন করে। ১০মিনিট  স্কুলের সহযোগিতায় " শাওন চৌধুরী ভেঞ্চার এবং ১০মিনিট স্কুল একসাথে  রোবোটিকস, জাভা,জাভা স্ক্রিপ্ট, এইচ.টি.এম.এল, আপ  ডেভেলপমেন্ট এর বিভিন্ন কন্টেন্ট তৈরি করে,যাতে তরুণেরা সহজেই পোগ্রামিং বুঝতে পারে।
এখন ১০মিনিট স্কুলের সাথে যুক্ত হয়ে শাওন যুবদের চিন্তন শক্তি উন্নয়ন, আইটি সেক্টরে যুবদের অদক্ষতা  কমিয়ে আনার প্রচেষ্টাকে অব্যাহত রাখছে। তার স্বপ্ন বাংলাদেশের প্রত্যকটি যুব আইটি সেক্টরে দক্ষতাসম্পন্ন হয়ে বিশ্বের কাছে রোল মডেল হয়ে থাকবে। কাজের ক্ষেত্রে  পারিবারিক, সামাজিক  শত বাধা থাকলেও তা অতিক্রম  করে শাওন সামনে এগিয়ে যাবে এটিই তার প্রত্যাশা।  শাওনের  এই স্বপ্ন, প্রচেষ্টা  এবং সৃজনশীলতার   জন্যে সে আশোকা বাংলাদেশ এর একজন ইয়ুথ ভেঞ্চার।
 
Written  - Alamgir Kabir
 

More For You