লাবিব, যে নিজে তার চ্যাঞ্জমেকার যাত্রা শুরু করেন অল্প বয়সে, লাবিব বিশ্বাসী যে চেষ্টায় সফলতা! লাবিব ঢাকা শহরে অন্যতম একটি বড় একটি বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন।
কিন্তু অনেক পাওয়ার মাঝে তার ভাল লাগতো কিছু স্কুলে যেতে যে সকল স্কুলে বিশেষচাহিদা পূর্ন শিশুরা পড়াশোনা করতো।
সে সকল প্রতিবন্ধী শিশুদের সাথে তার সময় কাটাতে ভাল লাগতো।
সে তার এ ভাললাগার সাথে যুক্ত করে আরো কয়েকজন সহপাঠীকে।
তারপর সে আরো বন্ধু মহলের সবাইকে তাদের কাছে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানাই আর সবাই তাকে ভালভাবে সারা দেই।
তারপর সে সে সকল প্রতিবন্ধী শিশুদের স্কুলে ভিজিট এর জন্য একটি অনলাইনে ফর্ম বানান এবং সে ২৫০+ জনের বেশি মানুষ তাতে সম্মতি জানাই।
২০১৫ সালে একটি সংগঠন এর শুরু করেন যার নাম ইনক্লুশেন এক্স! এবং সে সফলতাকে সঙ্গি করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে লাবিব।
তারপর ২০১৬ সালে সে একটি ট্রেনিং সেন্টার চালু করে, EMK সেন্টারের সহযোগিতাই,! EMK সেন্টারটি আমেরিকান এম্বাসি ও মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর এর যৌথভাবে গড়ে তুলা প্লাটফর্ম। 
লাবিব তারপর স্কুল ভিজিট পোগ্রামের সেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতাই প্রতিবন্ধী শিশুদের বিভিন্নভাবে কম্পিউটার ট্রেনিং দেয়, অতিতে যাদের কখনোই কম্পিউটারের সমন্ধে ধারনা ছিল না।
লাবিব অনুপ্রেরণা পাই ২০১৫ সালে সুইজারল্যান্ডে ইউরোপিয়ান একটি সংগঠনে ইন্ট্রানশীঅ করেন।
সেখানে সে ক্যাফেটেরিয়া বসে থাকার সময় একটি ছেলের সাথে আলোচনা করেন।
তখন ছেলেটির বয়স ছিল ১২ ছেলেটি শারীরিকভাবে বিশেষচাহিদাপূর্ন ছিল! ইচ্ছাছিল ফুটবল খেলার পায়ের সমস্যার কারনে সেটা সম্ভব হয়নি কিন্তু যা করে সেটা অবিশ্বাসী, টেকনোলজির সহযোগিতায় প্রোগ্রামিং করেছে এবং সেটার জন্য সে উক্ত কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করতে পেরেছে।
যেটা দেখে লাবিব অনুপ্রানিত হয় আর তার মধ্যে তখনি বিশ্বাস জন্মনেয় প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যে বিশেষ কিছু থাকে।
তার এই চ্যাঞ্জমেজার যাত্রাতে সব থেকে বেশি সহযোগিতা করেছে ধানমন্ডির (EMK সেন্টার)
লাবিবের লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যঃ প্রতিবন্ধী মানুষ আর সাধারণ এমন কোন কথা থাকবে না ওরা বা আমরা সবাই মানুষ।
লাবিব বর্তমানে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় বর্ষের ছাত্র।
 
Written  - Alamgir Kabir

More For You